আমি কোরআনকে আপনার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি, যাতে আপনি এর দ্বারা আল্লাহ সচেতনদের সুসংবাদ দেন এবং কলহকারী সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন। – সুরা মারিয়াম, ১৯:৯৭

ইউবাসসিরা (সুসংবাদ প্রদান) এবং তুনযিরা (সতর্ক করা)

এ কুরআন তো সমগ্র মানবজাতির জন্য উপদেশ। ৬৮:৫২

আমি এই কিতাব তোমার উপর নাযিল করেছি, যাতে করে যারা মতভেদ করছে, তাদের সকল প্রশ্নের সুস্পষ্ট জবাব তুমি দিতে পারো। আর বিশ্বাসীদের জন্য এই কিতাব হচ্ছে সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা ও রহমত। – সুরা আন-নহল, ১৬:৬৪

আল্লাহ সচেতনদের জন্য এই কুরআন নি:সন্দেহে এক উপদেশনামা। – ৬৯:৪৮

অবশ্যই কোরআন সকলের জন্যে এক উপদেশবাণী। ৫৫. অতএব যার ইচ্ছা সে এ থেকে উপদেশ গ্রহণ করুক। ৫৬. কিন্তু (যারা পরকালে বিশ্বাস করে না) তারা এ উপদেশ গ্রহণ করবে না, যদি না আল্লাহ বিশেষ রহমত করেন। আল্লাহ-সচেতনদের প্রভু তিনিই, ক্ষমা করার একমাত্র মালিকও তিনি। – সুরা মুদাসসির ৭৪:৫৪-৫৬

আমি তোমার ভাষায় কোরআনকে খুব সহজ করে দিয়েছি, যাতে মানুষ সচেতন হতে পারে/ যাতে তারা নিজেদের মনে করিয়ে দিতে পারে। – সুরা দোখান ৪৪:৫৮

নিশ্চই এ এক উপদেশ। অতএব যার ইচ্ছা সে তার প্রতিপালকের পথ অবলম্বন করুক। –৭৩:১৯

এ বাণী হচ্ছে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সত্যের দিক-নির্দেশিকা, যারা সরলপথে চলতে চায়। ৮১:২৬

নিশ্চই কুরআন আল্লাহর বাণী, সত্য মিথ্যার মীমাংসাকারী, এটি কোন কল্পকাহিনী বা বিনোদনের বিষয় নয়। ৮৬:১৩-১৪

এই কিতাব তোমার প্রতিপালকের কাছ থেকে তোমার ওপর নাজিলকৃত সত্য, যাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পারো, যাদের কাছে তোমার পূর্বে অন্য কোনো সতর্ককারী আসে নি। এর দ্বারা তারা হয়তো সত্যপথের সন্ধান পাবে! – ৩২:৩

হে নবী! আমি তোমার ওপর এই কল্যাণময় কিতাব নাজিল করেছি, যাতে মানুষ এই কুরআনের বাণী নিয়ে গভীরভাবে ধ্যানে নিমগ্ন হয়! ও এর শিক্ষা অনুসরণ করে। –৩৮:২৯

রসুলদের মাধ্যমে নাযিল করেছি কিতাব এবং মানদন্ড যাতে মানুষ সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে। –৫৭:২৫

এই কুরআন আমার উপর নাযিল হয়েছে, যাতে করে আমি তোমাদেরকে ও যাদের কাছে ভবিষ্যতে এ বাণী পৌছবে তাদের প্রত্যেককে সত্য সম্পর্কে জানাতে পারি। – ৬:১৯

জ্ঞান অন্বেষণকারীদের জন্যই আমি এত সুস্পষ্টভাবে সত্যের বয়ান করছি। – ৬:৯৮

যারা উপদেশ গ্রহন করতে প্রস্তুত, তাদের জন্যে আমি আমার বাণী বিশদভাবে বয়ান করছি। – ৬:১২৬

আমি কোরআনকে সুস্পষ্ট বাণীর আকারে নাজিল করেছি। এভাবেই আল্লাহ মানুষকে পথের দিশা দেন (যে পথ পেতে চায়)। -২২:১৬

হে নবী! জ্ঞানপ্রাপ্তরা ভালোভাবেই জানে যে, তোমার ওপর তোমার প্রতিপালকের কাছ থেকে যা নাজিল হয়েছে, তা-ই সত্য এবং তা মানুষকে মহাপরাক্রমশালী সদাপ্রশংসিত আল্লাহর পথ প্রদর্শন করে। – ৩৪:৬

নিশ্চয়ই এই কোরআনে আমি আমার বাণীকে নানাভাবে বার বার উপস্থাপন করেছি, যাতে করে ওরা এর সত্যতা অনুধাবনের চেষ্টা করে। কিন্তু হায়! কার্যত (সত্য অস্বীকারকারীরা) সত্য থেকে নিজেদের আরো দূরে নিয়ে গেছে। –১৭:৪১


এটি এক চলমান প্রশ্নোত্তর। কুরআনে আরো অনেক যায়গায় আল্লাহপাক কুরআন কেন নাযিল করেছেন তা এসেছে। এই প্রশ্নের উত্তর ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।